আশুলিয়ায় ছাহেরা হত্যা মামলায় প্রধান আসামি উজ্জল শাহজাহানপুর থেকে আটক


রুদ্রবাংলা প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১০, ২০২৩, ০২:৫১ /
আশুলিয়ায় ছাহেরা হত্যা মামলায় প্রধান আসামি উজ্জল শাহজাহানপুর থেকে  আটক

জিয়াউর রহমান জিয়াঃ রাজধানীর শাহজাহানপুর এলাকা থেকে আশুলিয়া এলাকার ছাহেরা হত্যা মামলায় প্রধান আসামি উজ্জলকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। র‌্যাব জানিয়েছে, আটককৃত ব্যক্তির নাম উজ্জল হোসাইন (৩৫)। সে টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর থানার মহিষমারা গ্রামের শফিকুল ইসলামের পুত্র।

আজ সোমবার র‌্যাব-১০ এর উপ-পরিচালকসহকারী পরিচালক (অপস্) আমিনুল ইসলাম জানান, গতকাল রোববার রাতে র‌্যাব-১০ এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৪ এর সহযোগীতায় রাজধানীর শাহজাহানপুর থানা এলাকায় একটি যৌথ অভিযান চালায়। অভিযানকালে র‌্যাব সদস্যরা আশুলিয়া থানা এলাকায় ছাহেরা বেগম হত্যা মামলায় পলাতক একমাত্র প্রধান আসামি উজ্জল হোসাইনকে আটক করতে সক্ষম হয়। র‌্যাবের এ কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামি ওই হত্যাকান্ডের সাথে তার সম্পৃক্ততা থাকার কথা অকপটে স্বীকার করেছে। সে মামলা দায়েরের পর থেকে রাজধানীর শাহজাহানপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে আসছিল।পুলিশ, র‌্যাব ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা জেলার সাভারের আশুলিয়া থানা এলাকায় হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্হায় সাহেরা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা-পুলিশ। পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারনা পুলিশের। ঘটনার পর থেকে পাশের কক্ষের ভাড়াটে উজ্জল হোসাইন (৩৫)র খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোহেল মোল্লা জানান, আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকায় দুই কক্ষের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন সাহেরা বেগম। পেশায় তিনি একজন হোটেলের নারী কর্মচারী ছিলেন। ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে তিনি থাকতেন। অন্য কক্ষটি ভাড়া (সাবলেট) দিয়েছেলেন। সেই কক্ষে উজ্জ্বল নামের এক ব্যক্তি থাকতেন। সাহেরার এক মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। এক ছেলে অন্য জায়গায় থাকেন। সম্প্রতি সাহেরা একটি জায়গা কেনার জন্য চেষ্টা করছিলেন। কিছু টাকা বায়নাও দিয়েছিলেন। কয়েক দিনের মধ্যে বাকি টাকা পরিশোধের কথা ছিল।

পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পরিকল্পিত ভাবে শ্বাস রোধ করে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার থানার পরাইখালী গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার স্ত্রী। ময়নাতদন্তের জন্য নিহত নারীর মরদেহ ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তাকে জিঙ্গাসাবাদ শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান র‌্যাবের এ কর্মকর্তা।