গাজীপুর সদরে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা


রুদ্রবাংলা প্রকাশের সময় : অক্টোবর ৯, ২০২৩, ২০:২৫ /
গাজীপুর সদরে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর প্রতিনিধিঃ গাজীপুর সদরে স্বামী কাওসার সিকদার  স্ত্রীকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠায় পরে মৃত্যুবরণ করে বলে জানাযায়।

ঘটনাটি যাতে কোন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত না হয় সে জন্য স্থানীয় এক সংবাদ কর্মী পঞ্চাশ হাজার টাকার বিনিময়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে জানা যায় ।

সূত্রে জানাযায়,  গাজীপুর সদর জয়দেবপুর  থানাধীন ভৌড়াঘাটা আইনুদ্দিন সিকদার এর ছেলে কাউসার সিকদার এর বসত বাড়িতে।

 গত  ০৬/১০/২০২৩ তারিখ দিবাগত রাত্রে ভৌড়াঘাটা নিবাসী মোঃ কাউসার সিকদার ও তার স্ত্রী রুমা খানম এর মধ্যে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামী মোঃ কাউসার সিকদার তার স্ত্রী মোসাঃ রুমা খানম(২৮) কে মারপিট করে। মারপিটে রুমা খানম ঘাড়ে ও পিঠে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়। 

রুমার বাবা এই প্রতিনিধিকে আরো জানান, কাওসার সিকদার তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে না জানিয়েই  রুমা খানমকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গাজীপুর নিয়ে ভর্তি করেন। উন্নতি না হলে সেখান  থেকে আবার ঢাকা বাংলাদেশ মেডিকেল  কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ০৭.১০.২০২৩ তারিখ সকাল ৮.০০ ঘটিকায় মৃত্যুবরণ করেন।

রুমা খানম এর মৃত্যুর সংবাদ শুনার পর তার পিতা-নুরুজ্জামান গ্রাম-ভৌড়াঘাটা, থানা- জয়দেবপুর, জেলা গাজীপুর।

কাউসার সিকদার এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে, তার মেয়ে রুমা খানমকে কাওসার শিকদার খামখেয়ালীভাবে মারপিট করে ঘাড়ের হাড় ও মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙ্গে ফেলেছে, এ কারণে তার মেয়ে রুমা খানম এর মৃত্যু হয়েছে।

পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মিমাংসার জন্য তাহারা মালেক মুক্তার, কামাল শিকদার, রশিদ শিকদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সালিশ বিচারের মাধ্যমে কাওসার শিকদারকে ৭০০০০০ (সাত লক্ষ) টাকা জরিমানা করেছেন। রুমার গার্মেন্টসে জমানো এককালীন ৫ লক্ষ টাকা, আরো দুই লক্ষ টাকা কাউসার ভর্তুকি দিয়ে মোট সাত লক্ষ্য টাকা। 

জরিমানার টাকা কাউসার শিকদার ও রুমা খানমের একমাত্র ছেলে মোঃ রবিউল সিকদার(০৯বছর) এর নামে ব্যাংক অথবা পোস্ট অফিসে ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়। 

জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহতাবউদ্দিন  জানান, আমরা সংবাদ পাওয়ার পর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়দেবপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহাম্মেদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছি।

পোস্ট মডার্নের রিপোর্ট আসলে জানা জাবে এটা কি অপমৃত্যু নাকি স্বভাবিক মৃত্যু। 

বর্তমানে তদন্ত চলছে।